বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করছে তাঁর ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার সময়সূচি। দলীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা যদি অপরিবর্তিত থাকে এবং তাঁকে বিদেশে নেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তাহলে তারেক রহমান খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন।
দলীয় সূত্র জানায়, আজ বুধবার চীন ও যুক্তরাজ্য থেকে আরও দুটি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল ঢাকা আসছে। তাঁরা খালেদা জিয়ার বর্তমান চিকিৎসা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করবেন এবং বিদেশে নেওয়া প্রয়োজন কি-না, সেই বিষয়ে মত দেবেন। এই মতামতই নির্ধারণ করবে তারেক রহমানের পরবর্তী পদক্ষেপ।
সূত্রগুলো আরও জানায়, চিকিৎসকেরা যদি বিদেশে নেওয়ার পরামর্শ দেন, তবে কাছাকাছি হওয়ায় সিঙ্গাপুরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সেই ক্ষেত্রে তারেক রহমান সিঙ্গাপুরেই মায়ের পাশে থাকবেন। আর বিদেশে নেওয়ার উপযোগী পরিস্থিতি না থাকলে, তিনি তৎক্ষণাৎ ঢাকার পথে রওনা হবেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও একই ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমানের দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। অবস্থার উন্নতি না হলে তিনি দ্রুত দেশে ফিরবেন।
এর আগে, নয়াপল্টনে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে মির্জা ফখরুল বলেন, “চিকিৎসা দলের পর্যবেক্ষণের পরই সিদ্ধান্ত হবে তিনি বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন কি না। আর যদি না হয়, তাহলে শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান।”
উল্লেখ্য, খালেদা জিয়া চলতি বছরের জানুয়ারিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান। সেখানে হাসপাতাল এবং পরে ছেলে তারেক রহমানের বাসায় চিকিৎসা নিয়ে চার মাস পর ৬ মে দেশে ফেরেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।