ফিক্সিং সন্দেহে বিপিএল নিলামের চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন একাধিক বাংলাদেশি ক্রিকেটার। তাদের মধ্যে রয়েছেন এনামুল হক বিজয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। বিষয়টি নিয়ে সন্ধ্যায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিপিএলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু স্পষ্ট করে দিয়েছেন—বোর্ড জিরো টলারেন্স নীতিতে অটল, তাই লাল তালিকাভুক্ত ক্রিকেটারদের নিলামে অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নই ওঠে না।
মিঠু বলেন, দোষী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা না হলেও লাল তালিকাভুক্তদের ক্ষেত্রে বোর্ডের অবস্থান কঠোর। তিনি জানান, শুধু খেলোয়াড়ই নয়—দলগুলোর হোটেল, ড্রেসিংরুম কিংবা দলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের তালিকাও দুর্নীতি দমন ইউনিটের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে যাবে।

বিজয়-মোসাদ্দেকদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে মিঠু বলেন, ক্রিকেটাররা মত প্রকাশ করতেই পারেন, তবে গভর্নিং কাউন্সিল তাদের নিলামে না নেওয়ার পূর্ণ এখতিয়ার রাখে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেমন ইনজুরি থাকলে কেউ তালিকায় থাকতে পারে না, ঠিক তেমনই লাল তালিকাভুক্তদের অন্তর্ভুক্ত না করাও পরিষ্কার নীতির অংশ।
এ প্রসঙ্গে আরও যোগ করেন তিনি, নিলামে কাউকে নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। বিদেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও আবেদনকারী ৫০০ জনের মধ্যে মাত্র ২৬০ জনকে বাছাই করা হয়েছে। একই নিয়ম দেশি খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
তবে মিঠু পরিষ্কার করে বলেন, বোর্ড এখনই কোনো ক্রিকেটারকে দোষী বলছে না। বিষয়টি বিশ্বসেরা দুর্নীতি দমন বিশেষজ্ঞ অ্যালেক্স মার্শালের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার ভাষায়, সন্দেহভাজনদের খেলতে দিলে ক্রিকেটের প্রতি ভুল বার্তা যাবে—তাই খেলার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় কঠোর সিদ্ধান্তই তাদের একমাত্র পথ।