যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার তালিকাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের গ্রিন কার্ড পুনরায় পরীক্ষা করা হবে। তবে এই পুনঃপরীক্ষা কীভাবে পরিচালিত হবে, গ্রিন কার্ড বাতিল বা স্থগিত করা হবে কি না—এ বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই।
গ্রিন কার্ড হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিবাসন দলিল, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি দেশটিতে স্থায়ীভাবে বসবাস ও কাজ করার অধিকার পান।
বর্তমান আইনে গুরুতর অপরাধ—যেমন হত্যা বা ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলে—অভিবাসন বিচারকেরা গ্রিন কার্ড বাতিল করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বহিষ্কার করতে পারেন। আবার সরকার চাইলে জননিরাপত্তার হুমকি বা ভিসার শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে কোনো ব্যক্তিকে বহিষ্কার করার ক্ষমতাও রাখে।

তবে অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ সাক্সেনা বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া সরকারের পক্ষে কারও গ্রিন কার্ড বাতিল করা সম্ভব নয়। প্রতিটি বাতিলের সিদ্ধান্তকে কঠোর আইনি ধাপ অনুসরণ করেই নিতে হবে।
গত বছর কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসরায়েলের গণহত্যা ও গাজা যুদ্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সময় ফিলিস্তিনপন্থী কর্মী মাহমুদ খলিলকে তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতে আটক করে মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। সে সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন। পরে আইসিই তাঁর গ্রিন কার্ড আবেদনে তথ্য গোপনের অভিযোগ আনে।
গত সেপ্টেম্বরে এক অভিবাসন বিচারক খলিলকে আলজেরিয়া বা সিরিয়ায় বহিষ্কারের নির্দেশ দেন। তবে রায়টি এখনো কার্যকর হয়নি।