পবিত্র রমজানকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত সময়সূচি নিয়ে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করতে ব্যাখ্যা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, সময়সূচিতে উল্লেখ করা সাহ্রির শেষ সময় মূলত ফজরের নামাজের ওয়াক্ত শুরুর সময়কেই নির্দেশ করে।
ফাউন্ডেশনের ব্যাখ্যায় বলা হয়, একটি জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত ভৌগোলিক দূরত্বের কারণে সময়ের সামান্য পার্থক্য দেখা দিতে পারে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় ভৌগোলিক অবস্থানভেদে পরিবর্তিত হওয়ায় নামাজের ওয়াক্তেও কিছুটা ব্যবধান সৃষ্টি হয়।

এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে জেলার সার্বিক ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে সাহ্রির শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে জেলার পূর্ব প্রান্তের সময় অনুযায়ী। অন্যদিকে ফজরের আজানের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে জেলার পশ্চিম প্রান্তের সময় ধরে।
ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এভাবে সময় নির্ধারণের মাধ্যমে পুরো জেলার জন্য একটি সমন্বিত ও গ্রহণযোগ্য সময়সূচি নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষ সঠিক সময়ে সাহ্রি ও নামাজ আদায় করতে পারেন।